logo
   প্রচ্ছদ  -   ইসলাম

শিশুদের মসজিদে নিয়ে আসার বিধান
Posted on Jan 08, 2022 10:43:14 AM.

শিশুদের মসজিদে নিয়ে আসার বিধান

বুঝ সম্পন্ন শিশুকে মসজিদে নিয়ে আসা একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। কারণ ছোটবেলা থেকে মসজিদে আসার অভ্যাস শিশুমনে দারুণ প্রভাব ফেলে।


শিশুদের সঠিকভাবে নামাজ শেখানো রাসুল (সা.)-এর সুন্নত। মা-বাবা, শিক্ষক কিংবা অন্য যে কেউ নামাজ পড়ার সময় ছোটদের শিখিয়ে দিতে পারেন। এক হাদিসে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) ছোটবেলার স্মৃতি বর্ণনা করে বলেন, ‘এক রাতে আমি নবী (সা.)-এর পেছনে বাম পাশে করে নামাজে দাঁড়িয়ে ছিলাম। তিনি নামাজরত অবস্থায় আমাকে তার হাত দিয়ে টেনে নিজের ডান পাশে দাঁড় করিয়ে দেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১/২৫৫)

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) অন্য একটি বর্ণনায় বলেন, ‘একদিন ফজরের নামাজের ইকামত হয়ে যাওয়ার পর আমি দুই রাকাত নফল নামাজ পড়তে দাঁড়িয়ে যাই। তখন জামাত শুরু করার আগে আল্লাহর রাসুল (সা.) এসে আমার হাত ধরে ফেলেন। এরপর  বলেন, ‘তুমি কি ফজরের নামাজ চার রাকাত পড়বে নাকি? (ইবনে হিব্বান, হাদিস : ৬/২২১)

রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে শিশু

অন্য একটি বর্ণনায় আরো এসেছে, একদিন সিজদায় থাকা অবস্থায় রাসুলের (সা.) নাতি হাসান ও হোসাইন এসে তাঁর পিঠে চড়ে বসে। কিন্তু তারা নেমে না যাওয়া পর্যন্ত তিনি নিজে সরাননি। ফলে দীর্ঘক্ষণ পর্যন্ত তিনি সেজদারত থাকেন। নামাজ শেষে তার নিকট দীর্ঘক্ষণ সেজদায় থাকার কারণ জানতে চাওয়া হলে তিনি জবাব দিলেন, ‘আমার নাতিরা আমার পিঠে চড়ে বসেছিলো। আমি তাদের বিরক্ত করতে চাইনি।’ (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ১১৪১)

অন্য বর্ণনায় এসেছে- নামাজ শেষ করে তিনি নাতিদের কোলে তুলে নেন। (আবু ইয়ালা মাওসিলির আজ-জাওয়াইদ গ্রন্থে আনাস (রা) এই ঘটনা বর্ণনা করেছেন। উপর্যুক্ত দুটি সূত্র থেকে একই ধরনের বর্ণনা বুখারী ও মুসলিমেও রয়েছে)।

মসজিদে শিশুদের সঙ্গে রাসুল (সা.)-এর আচরণ এমনই ছিল। মমতা ও ভালোবাসাময় নবী-আদর্শ অনুসরণ উচিত প্রত্যেকের।

শিশু নামাজে কোথায় দাঁড়াবে

যদি শিশু (নাবালেগ) একজন হয়, তবে তাকে বড়দের কাতারেই একসঙ্গে দাঁড় করানো যাবে। এতে বড়দের নামাজের কোনো অসুবিধা হবে না। আর শিশু একাধিক হলে, প্রাপ্ত বয়স্কদের পেছনে আলাদা কাতারে দাঁড় করানো সুন্নাত। তবে হারিয়ে যাওয়া বা দুষ্টুমি করার আশঙ্কা থাকলে, বড়দের কাতারেও দাঁড় করানো যাবে। (আলবাহরুর রায়েক: ১/৬১৮, আদ্দুররুল মুখতার: ১/৫৭১)

শিশুরা নামাজের কাতারে দাঁড়ালে অসুবিধা নেই

অনেকের এ ধারণা রয়েছে যে নাবালেগ শিশুদের বড়দের কাতারের মধ্যে দাঁড় করালে পেছনের মুসল্লিদের নামাজ হয় না বা নামাজ ত্রুটিযুক্ত হয়, আসলে ব্যাপারটি সে ধরনের নয়। বরং যদিও জামাতের কাতারের সাধারণ নিয়ম ও সুন্নাত হলো, প্রাপ্ত বয়স্করা সামনে দাঁড়াবেন ও অপ্রাপ্ত বয়স্করা পেছনে থাকবে। কিন্তু এর ব্যতিক্রম হলে নামাজ অশুদ্ধ হওয়ার কোনো কারণ নেই। এ জন্য শিশু একা হলে বা পেছনে দুষ্টুমির আশঙ্কা হলে বড়দের কাতারে সমানভাবে দাঁড় করানোই উত্তম। তথ্য সূত্র: অনলাইন।



  এই বিভাগ থেকে আরও সংবাদ

   সব মুমিনের জন্য জান্নাতে যা থাকবে
   নামাজের সময়সূচি : ২৪ জানুয়ারি ২০২২
   নামাজের সময়সূচি : ২২ জানুয়ারি ২০২২
   নামাজের সময়সূচি : ১৯ জানুয়ারি ২০২২
   নামাজের সময়সূচি : ০৯ জানুয়ারি ২০২২
   ইসলামে প্রতিবন্ধীদের অধিকার
   নামাজের সময়সূচি : ০৭ জানুয়ারি ২০২২
   নামাজের সময়সূচি : ০৩ জানুয়ারি ২০২২
   সৎ কাজের বিনিময়ে মিলবে উত্তম পুরস্কার
   নামাজের সময়সূচি : ০২ জানুয়ারি ২০২২
   নামাজের সময়সূচি : ৩০ ডিসেম্বর ২০২১
   নামাজের সময়সূচি : ২৯ ডিসেম্বর ২০২১
   নামাজের সময়সূচি : ২৮ ডিসেম্বর ২০২১
   নামাজের সময়সূচি : ২৩ ডিসেম্বর ২০২১
   পবিত্র মাহে রমজান সম্ভাব্য ২ এপ্রিল
   হিংসা-বিদ্বেষমুক্ত থাকতে যা করবেন
   নামাজের সময়সূচি : ০১ ডিসেম্বর ২০২১
   নামাজের সময়সূচি : ২৮ নভেম্বর ২০২১
   নামাজের সময়সূচি : ২৬ নভেম্বর ২০২১
   জুমার দিনে অল্প আমল অনেক সওয়াব
   নামাজের সময়সূচি : ২৪ নভেম্বর ২০২১
   নামাজের সময়সূচি : ২৩ নভেম্বর ২০২১
   অহংকার যেভাবে মানুষকে ধ্বংস করে দেয়
   নামাজের সময়সূচি : ২১ নভেম্বর ২০২১
   ১৮-৫০ বছর বয়সী বিদেশিরা ওমরাহ করতে পারবেন
   পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী আজ
   ২০ অক্টোবর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী
   আজ পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা
   হজ ও ওমরাহ নিয়ে আলোচনায় সৌদি আরবে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী
   যে দোয়া আপনাকে সারাদিন ‍শয়তান থেকে রক্ষা করবে


  পুরনো সংখ্যা