logo
   প্রচ্ছদ  -   অর্থ-বাণিজ্য

আমেরিকা-চীন বাণিজ্য যুদ্ধে লাভের সম্ভাবনা বাংলাদেশের
Posted on Jul 05, 2019 05:19:02 PM.

আমেরিকা-চীন বাণিজ্য যুদ্ধে লাভের সম্ভাবনা বাংলাদেশের

চীন-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান বাণিজ্য যুদ্ধে লাভবান হতে পারে বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান ও দক্ষিণ কোরিয়া।

চীনে তৈরি পণ্যের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপ করা বাড়তি শুল্ক এড়াতে দেশটি থেকে আমদানি কমিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো এখন দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর দিকে ঝুঁকছে। ফলে চীনের হারানো বাজার ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর জন্য।

গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে চীন থেকে ১২ শতাংশ কম পণ্য আমদানি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে ভিয়েতনাম থেকে আমদানি বেড়েছে ৩৬ শতাংশ, বাংলাদেশ থেকে ১৪ শতাংশ, তাইওয়ান থেকে ২৩ শতাংশ ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ১২ শতাংশ।

আমদানি শুল্ক বাড়ানোয় বেসবল ক্যাপ, ব্যাগ, মোটরসাইকেলের মতো চীনা পণ্য আমেরিকানদের জন্য ব্যয়বহুল হয়েছে। এগুলো ছাড়াও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও ইলেকট্রনিক পণ্য, যেমন- ওয়াশিং মেশিন, ডিশ ওয়াশার, হেয়ার ড্রায়ার, ওয়াটার ফিল্টার ইত্যাদির ওপরও ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে বাড়তি শুল্ক।

গত মে মাসে চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা এসেছিল ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে। ২০০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয় এমন বেশ কিছু পণ্যের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করেছিলেন ট্রাম্প। শুল্ক বাড়ানোর যুক্তি হিসেবে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যে চীন তার অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছে।

সেই সঙ্গে স্মার্টফোন, খেলনা, ফুটওয়্যার ও মাছের মতো পণ্যের ক্ষেত্রেও আমদানি শুল্ক বাড়ানোর হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। অবশ্য গত সপ্তাহে জাপানে জি-২০ সম্মেলনে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর বাড়তি শুল্ক স্থগিত করার ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক এখন ‘ঠিক রাস্তাতেই’ আছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণার পর মে মাসে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের এক জরিপে দেখা যায়, বাড়তির শুল্কের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ৪০ শতাংশ কোম্পানি চীন থেকে তাদের কারখানা সরিয়ে নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে। আর ইতিমধ্যে যারা চীন ছেড়েছে তাদের এক চতুর্থাংশই পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে গিয়েছে। মাত্র ছয় শতাংশ কোম্পানি যুক্তরাষ্ট্রে কারখানা সরিয়ে নিয়ে গেছে।

যদিও ট্রাম্প শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার আগে থেকেই বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান চীন ছাড়তে শুরু করেছিলো। এর কারণ, চীনে সস্তা শ্রম আর সেভাবে সহজলভ্য নয়। বরং চীনের চেয়ে অনেক কম খরচে পাশের দেশগুলো থেকে পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে। এ কারণেই ভিয়েতনাম থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানি ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলেছে। তাইওয়ান ও দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের ইলেক্ট্রনিক্স বাজারের চাহিদা পূরণ করছে।

অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারে কর্তৃত্ব বজায় রাখতে চীন ও আমেরিকার যে আলোচনা-সমঝোতার চেষ্টা আর কথার যুদ্ধ চলছে, তাতে লাভবান হচ্ছে বাংলাদেশসহ চারটি এশীয় দেশ।

তবে, মুক্তবাজার অর্থনীতির এই বিশ্বে ওয়াশিংটন বা বেইজিং কেউই যে সহজে কর্তৃত্ব ছাড়বে না তা পরিষ্কার।




  এই বিভাগ থেকে আরও সংবাদ

   সি পার্লের মুনাফা বেড়েছে ৫৪ শতাংশ
   ৪ হাজার কোটি ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়েছে পণ্য রপ্তানি
   বাণিজ্য ঘাটতি ১৪৬৫ কোটি ডলার
   বাড়ছে সোনার দাম
   ফের বাণিজ্য আলোচনায় বসবে চীন-যুক্তরাষ্ট্র
   বন্ড সুবিধা পাবেন স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা: এনবিআর চেয়ারম্যান
   আমদানি করা গুঁড়ো দুধে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব
   যেসব পণ্যের দাম বাড়বে ও কমবে
   মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ২ হাজার টাকা বৃদ্ধি
   মন্ত্রিপরিষদে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন
   অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামালের প্রথম বাজেট আজ
   স্মার্ট বাজেট নিয়ে বিকেলে আসছেন অর্থমন্ত্রী
   শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে লভ্যাংশ জমা দিল গ্রামীণফোন
   ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ড্র অনুষ্ঠিত
   দুই চুলার গ্যাসের দাম ১৪৪০ টাকা করতে চায় তিতাস
   গ্যাসের দাম ১০৩ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব
   নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে ভ্যাট দিতে হবে না : অর্থমন্ত্রী
   ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৩৬ হাজার ৬৬৮ দশমিক ১৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
   বাংলাদেশের তিন ব্যাংক নিজস্ব শাখা খুলছে সৌদি আরবে
   বাড়ছে খেলাপি ঋণ
   চুরি হওয়া রিজার্ভের অর্থ উদ্ধার কাজ চলমান রয়েছে : অর্থমন্ত্রী
   শেষ হল ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা
   রেকর্ড পরিমান রেমিটেন্স এসেছে জানুয়ারিতে
   অর্থনৈতিক স্বাধীনতার সূচকে সাত ধাপ উন্নতি বাংলাদেশের
   বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির প্রথম সারিতে থাকবে বাংলাদেশ: জাতিসংঘ
   অতি ধনীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে বাংলাদেশে
   নতুন সক্ষমতায় মংলা বন্দর
   অনলাইনে পাওয়া যাবে বাণিজ্য মেলার টিকিট
   ইলিশের জীবনরহস্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল বাংলাদেশ
   ২০৩৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ২৪তম অর্থনৈতিক দেশ


  পুরনো সংখ্যা